Salma's Poems

আমি কাঁদলে তোমার গানের কোন কলি থেমে যায়


আমি কাঁদলে
তোমার গানের কোন কলি থেমে যায়
আমি কাঁদলে
তোমার লেখার কোন বুলি ঘেমে যায়
আমি কাঁদলে
তোমার বুকের কোন পালে লাগে ব্যথা
আমি কাঁদলে
তোমার চোখের কোন কোণে জললতা?

নাকি কান্না আমার ক্ষুদ্র পিপিলীকা
চুপচাপ শুধু হাঁটে
নাকি কান্না আমার কালো মৌমাছি
ভাষার বিভ্রাটে

জানিনা আমি জানি না
সংসারের এসব হিসেব নিকাশ
সংসারের এসব বিশ্রী বিন্যাস
মানি না মানি না।

স্বৈরাচারী দলীয় ভালোবাসা না না না।

উম্মে সালমা, ১০/৪/২০২৫, টুঅং

Salma's Poems

শব্দগুলো হারিয়ে গেছে

শব্দগুলো হারিয়ে গেছে
কষ্ট নামক মেলায়
রঙিন ফিতে মিষ্টি ঝুটি
নাগরদোলা খেলায়

তোমরা তারে দেখলে কোথাও
নিয়ে এসো বাড়ি
আমার দুয়ার দখিন খোলা
সুখের সাথে আড়ি।

শব্দ সাথী
শব্দ সাথী
কোথায় আছো তুমি
জোনাক বাতি
জোনাক বাতি
জ্বালছে বনভূমি।

কষ্ট নামক মেলায় যদি
এমন হয়ে যায়
শব্দ কেন পড়লো ভেসে
দুখু কবির পায়?

উম্মে সালমা, ১৬/০৪/২০২৫

Salma's Poems

হে আল্লাহ্‌ মন ভালো নেই

মন ভালো নেই
শরীরো
ওদের কি আর দোষ দেবো
ভেতরে জমে থাকা অজস্র দুঃখ
কটকটির মতো শক্ত হয়ে উঠেছে
ভালোবাসার কোন উত্তাপ তাকে গলাতে পারেনি।

মন ভালো নেই
ঈদ এসেছে
মন ভালো নেই
সবাই ঘর গুছাচ্ছে
মন ভালো নেই
সবাই বেড়াতে যাচ্ছে
মন ভালো নেই
সবাই ছুটি কাটাচ্ছে
রক্ত কমে যাচ্ছে
হিমোগ্লোবিন আর অক্সিজেন নিয়ে ঘুরতে পারছে না শরীরে
মাথা ঘুরছে চারপাশ ঝিম ঝিম ঝিম
যেন চবির শাটল ট্রেন আমার পাশ দিয়ে চলে গেল

আমাকে পরিত্রাণ দাও হে আল্লাহ্‌
আমার মন ভালো করে দাও
আমার চোখের ভেতর অপার্থিব আলো জ্বেলে মন খারাপের নর্দমায় বৃষ্টি ঢেলে দাও
এক মুষুলধারের বৃষ্টি সবকিছু ধুয়ে মুছে সাফ করে দিক!
নিদারুণ রহমতের বৃষ্টি।

উম্মে সালমা
৬/৬/২০২৫

Salma's Poems

ভুলে গিয়ে ভালো থাকা

তোমার জন্য আমার ফটো এ্যলবাম
আলমারির এক তাকে
এবং
ফেসবুকের এক কোণে
আপলোড করে রেখেছি
যদি কখনো সময় হয় একটু ঘুরে এসো
আমার শেলফ
আমার ওয়াল
দেখে এসো
তুমি যে বার বার বলো,
“না, মনে নেই”
“সব ভুলে গেছি”
“আমার এত কিছু মনে থাকেনা”
সেটা আমার হৃদয়ে কতটুকু রক্তক্ষরণ করে
কতটুকু কান্না বিলাসী ভোমরার মতো উড়ে বেড়ায় চোখের অরণ্যে।

মানুষের জীবনে বর্তমান টা আর কতটুকু ই বা স্থায়ী!
সকালের স্বাদ কি তরতরিয়ে
দুপুরের তিক্ততা
বিকেলের ব্যস্ততা
আর রাত্তির মৌনতায় ডুবে যায় না?
একমুঠো নীলাকাশ কি এক লহমায়
একটি রংধনু হয়ে ওঠে না?
একটি সুশান্ত সাগর মূহুর্তেই কি অশান্ত হয়ে সব তছনছ করে দেয় না?

তাহলে?
তাহলে যা নিয়ে আমরা বাঁচি
তা কি বর্তমান?
নাকি তার নাম অতীত
প্রতিমুহূর্তে যার জন্ম প্রতি মূহুর্তে যার জমা জমায়েত স্মৃতি নামক এক দুঃসহ এ্যলবামে

স্মৃতি: কোথায় থাকে এই এলবাম?
কালবে? না মস্তিষ্কে?
আবেগে না যুক্তিতে?

স্মৃতি: কোথায় থাকে এই স্টোরেজ?
মনে না মননে
দৃষ্টিতে না দর্শনে?

আমি বুঝতে পারি না
আর এই না বুঝতে বুঝতে আর্তনাদ করি
তোমার ভুলে যাওয়ার মতো করে
আমি ভুলতে পারিনা কেন?
কেন আমার অশরীরের কোন খাঁজে ছোট ছোট ফাইল হয়ে জমে ওঠে
দিনযাপনের দিনগুলি

কেন আমি গেয়ে উঠি
দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না
কিংবা
জীবনের সোনাঝরা দিন গুলো হায় শীতের পাতার মতো ঝরে যায়
কেন আমি মোবাইলে ফেসবুকে অবিরত খুলতে থাকি স্মৃতির খাতা?

আর এইভাবে কি শিখা যায়?
কিভাবে ভুলে গিয়ে ভালো থাকা যায়
কিভাবে ভুলে গেলে জীবন স্বাভাবিক লাগে
কিভাবে মানুষ বরফের মতো বর্তমানে
হেসে খেলে বেঁচে থাকে!

উম্মে সালমা, ১১/০৬/২০২৫, টুঅং

Salma's Poems

তোমার চোখ যেন প্রতিদিনের কবিতা


তোমার চোখ যেন
প্রতিদিনের কবিতা
আমি পাঠ করি প্রতিদিন সকালে
যেমন আমার দাদা পাঠ করতেন:
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি

অথচ আমাদের পাঠশালার পাঠে কত ফারাক
দাদুর কবিতা দাদুকে ভরিয়ে তুলতো জীবনবোধে
আমার কবিতা আমাকে ভরিয়ে তুলে প্রশ্নবোধে

আর এভাবেই বুঝতে পারি
ভুল ভালোবাসা ভুল সম্পর্ক
ভুল জীবনদর্শনের জন্ম দেয়
ভুল পথে পরিচালিত করে।

উম্মে সালমা,২৬/০৬/২০২৫

Uncategorized

জীবন মৃত্যু: একটি এন্টিহেডোনিষ্ট ভাবনা


যেখানেই আপনার আমার মৃত্যু সেখানেই মৃত্যুর দূত আমাদের হাতছানি দিয়ে ডেকে ডেকে নিয়ে যাবে। যেদিন সিদরাতুল মুনতাহা ‘র পাতা ঝরে যাবে তার থেকে গুনে গুনে চল্লিশ দিন তারপর মৃত্যুর পথে পদযাত্রা শুরু। এক ঘন্টা এক মিনিট এক সেকেন্ড এক অনুপল আগানো কিংবা পেছানোর সুযোগ নেই। আপনি সেই নির্দিষ্ট সময়ে যা ই করেন না কেন: ঘুমিয়ে থাকুন, রাস্তায় থাকুন, ঘরে থাকুন, কাজে থাকুন, হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বক্তৃতা বা গান বা কবিতা গাইতে থাকুন, কিংবা আরো আরো অনেক অনেক কিছু, মৃত্যুর দূত আমাকে আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকলে সেই ডাক উপেক্ষা করার মতো ক্ষমতা আমাদের দেয়া হয়নি।
এই সত্য যদি বারবার আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা যদি কোন সুপার পাওয়ারের না থাকতো তাহলে কেন একটি নিষ্পাপ শিশু দশতলার ছাদে খেলতে গিয়ে খেলার এক পর্যায়ে ছাদের টিনের উপর ওঠা মাত্রই টিন ভেঙে দশতলার নীচে পড়ে যাবে? এক সেকেন্ডে জীবন নামক এত মায়া এত মজা সবকিছু শেষ হয়ে যাবে? যতবার সিসিটিভি ফুটেজ দেখছি ততবার অবাক হয়ে দেখছি দশতলার টিনের চালে উঠতে গিয়ে মেয়েটি প্রথমবার পা পিছলে গেল। সে উঠতে পারল না। কিন্তু সে থামলো না। দ্বিতীয়বার আবারো কষ্ট করে টিনের চালে উঠে পড়লো এবং এক সেকেন্ডে পুরোনো টিন ভেঙে একদমই নীচে… ইন্নলিল্লাহ ওইন্নাইলাহি রাজিউন।
সে চাইলেই কি এই মৃত্যু থেকে রেহাই পেতো? আমি বিশ্বাস করি, না। ঐ পাশে মৃত্যুর দূত তাকে ডাকছে। দুনিয়ার সফর শেষ করতে হবে। জান্নাতের বাগান প্রস্তুত।‌ তার বাবা মায়ের পরীক্ষার ক্ষেত প্রস্তুত। তো আর কিসের অপেক্ষা?
সুলাইমান আঃ এর সময়কার ঘটনা। আজরাইল আ: কে পাঠানো হলো এক ব্যক্তির রুহ কবজ করার জন্য। আজরাইল এসে দেখে তার মৃত্যু যেখানে হবার সেখানে সে নেই। তো আজরাইল আ আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন এবং জানতে চাইলেন, তিনি কি করবেন? ঐ লোক তো তার জায়গায় নেই।‌ আল্লাহ বললেন, তুমি চিন্তা করো না সে সেখানে পৌঁছে যাবে। তুমি সুলাইমান আঃ এর দরবারে যাও। মৃত্যুর দূত সেখানে চলে গেলেন এবং মানুষের বেশ ধরে সুলাইমান আঃ এর দরবারে সবার সাথে বসে রইলেন আর মানুষটির গতিবিধি খেয়াল করছিলেন। অন্যদিকে মানুষটিও একটু অবাক হয়ে ভাবছিলেন, ঘটনা কি? লোকটি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেন? তিনি ভাবলেন, না আর বসে থেকে লাভ নেই। দেশে ফিরে যাই। তিনি সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রওনা হয়ে চলে গেলেন এবং তার দেশের পৌঁছার পর পর মৃত্যু বরণ করলেন। আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া বন্দোবস্ত কি করে বাস্তবায়ন হয় এই ঘটনা আমাদের সামনে রেখে গেলেন যাতে আমরা যেন মৃত্যুর অনিবার্যতা জীবনের পাশাপাশি ধারণ করি।
এত কথা বলার একটা ই কারণ নিজেকে এবং আমার আত্মীয় স্বজনকে, বিশেষ করে সন্তানহারা বাবা আমার মামা (Nizam Uddin Nizam কে সান্ত্বনা দেওয়া। মনটা কে শান্ত করার চেষ্টা।
ছোট্ট মামনির যাবার সময় এবং পথ এটাই ছিল। এটাই সে তার তকদিরে করে নিয়ে এসেছে। আমাদের এই পরিণতি পরিবর্তনের কোন শক্তি নেই। আমরা কেবল দোয়া করতে পারি, এমন দোয়া যেটা আমাদের শিখিয়ে দেয় দূর্ঘটনাজনিত সমস্ত বিপদ থেকে আল্লাহ যেন আমাদের হেফাজত করেন।
তবে আমরা মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ প্রাণী। আমরা জীবনে আসল কথা ভুলে যাই আর দুনিয়ার জীবন নিয়ে মত্ত থাকি। আমাদের unlimited fun and enjoyment এর ভোগবাদী দর্শন আমাদের ভুলিয়ে দেয়, দুনিয়ার জীবন একটি অপরাহ্ন এবং একটি বিকেলের মতো। আমরা সেই একটি ছোট্ট সময়কে আমাদের নফসের পূজা শরীরের খেলা খেলতে খেলতে পার করে দেই। ভাবি, এই আনন্দ এই জীবন। খাই দাই সাজগোজ করি টাকা পয়সা কামাই আর আনলিমিটেড ফূর্তি করতে থাকি। ভাবি, আমাদের আর পায় কে!
আসলে, এইসব সব ধোঁকা। মৃত্যু জীবনের পাশে পাশে হেঁটে চলছে। একদিন একসময় হয়ত চোখ রাঙিয়ে ভয় দেখিয়ে নয়তো ভালোবেসে হাত ধরে বলবে, চল। যেতে হবে।
সেই দিনটা যেন আমাদের ভালোবাসার হয় আরামের হয় তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত? Let’s reflect. Let’s think a moment. Let’s stop a sec and ruminate.
দোয়া করি আল্লাহ ছোট্ট নিষ্পাপ মামণিকে জান্নাতের বাগানের মেহমান করুন আমীন। তার বাবা-মায়ের নাজাতের উসিলা করুন। আমিন।

উম্মে সালমা, ৩০ জুন, ২০২৫.

Salma's Poems

প্রজন্মান্তরে ফেব্রুয়ারি ২১

আজ
আমি
সময়ের নদী তীরে
একটুকু থামি

হিরোডাটাস
বলেছিলো
একজনো
পা দিতে পারে না
একি স্রোতে কখনো

বললে বলুক
তাকে পেরিয়ে আজ
আমাদের যাত্রা চলুক
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জানুক

কিছু সময় হয় সময়াতীত
কিছু অতীত হয় বর্তমান
তারপর
তাদের পাশাপাশি রেখে
বুনতে হয় ঐতিহ্যের নিশান

তাই

আজ
আমি
অতীতের এখন স্রোতে
একটুকু থামি

একটি জাতি হয় দূর্বিনীত
ভাষা বৈষম্যের রাজনীতিতে
তারপর
জড়ায় দেহে তার রক্ত কাফন
হিম হয়ে অবিচারে মৃত্যুর শীতে

জীবনের সোনাঝরা গর্তে ঢুকেনি
হিসেবের খাতা ছিল শূন্য
কি পেলো কি পাবে গুণতে চায়নি
বিলালো জীবন, কি অনন্য!

আজ

আমি
তাই
পরের প্রজন্ম
বেশ একটা থমকে দাঁড়াই

কিছু নাম লিখে রাখি
অনামিকা বুকে আঁকি
প্রাণপণে দোয়া করি
এই অতীত কভু যেন
না ভুলে যাই
অতীতকে না বানাই
নীতিহীন রাজনীতির
একচুলো ছাই

আজ

আমি তাই
উঠে দাঁড়াই
৫২, ৭১, ৯০, ২৪
নামের ফলক টানাই
সবুজ সততা আর ভীষণ সাম্যের
প্রিয় একখান পতাকা ওড়াই

শিরা টান করে বলি
এই আমি এই বাংলাদেশ
আমার শরীরে কত রক্তান্জলি
দিয়ে গেছে মজলুম
জুলুমের প্রতিবাদে
অহরাত্র জেগে থাকা পাখপাখালি


এই দেখ
আমার ব-দ্বীপ শরীরে
প্রতিবাদী পদ্মা সাহসী যমুনা
অহর্নিশ কেমন প্রাগৈতিহাসিক
বয়ে বয়ে চলে তার নমুনা

স্রোতস্বিনী সময়কে ধরে রাখে বুকে
তরঙিত করে কিছু ইতিহাস
প্রিয় কত নাম বারবার ভাসে
মৃত্যুর জলে যারা সাদা রাজহাঁস ।‌

উম্মে সালমা
২১/০২/২০২৫, টুঅং

Salma's Poems

স্বৈরাচারী আচরণ

তোরা দিস হা হা রিয়েক্ট তোরা বলিস মিথ্যে
টাকার উপর ঘুমিয়ে ছিলি বড়ই সুখি চিত্তে


তাইতো


চোখের উপর ঠুলি ছিল কানের ভেতর তালা
দেখে গেলি খুশি মনে পাগলামি এক পালা
দেখলি না কাকে বলে মানুষ আর মন
নামতে নামতে জড়িয়ে নিলি চরম স্খলন
বললি না তো একজন ও একটু আওয়াজ করে
গুম খুন চলবে না স্বৈরা-চারী জোরে

তোদের

চোখের উপর ঠুলি ছিল কানের ভেতর তালা
নৈলে ঠিকই দেখতে পেতি ইনসেইন এক পালা
দেখতে পেতি কাকে বলে মানুষ আর মন
এক সময়ে থামিয়ে দিতি চরম স্খলন
বলতি তোরা, অনেক হলো আর না আর না
গুম খুন আর দালালিতে পার তো পাবো না

অবশ্য আমি বোকা হায়রে হায় কাকে কি বলি
অন্ধ জ্ঞানের বন্ধ দুয়ার কোন চাবিতে খুলি ?

এমন চাবি গড়িয়ে দেয়
গভীর পাপের অনুতাপ অশ্রু অঞ্জলি…

উম্মে সালমা
১৪/০২/২০২৫

Salma's Poems

জনতার অপেক্ষা

৫ আগষ্টের পর…
বহুদিন অপেক্ষা করছি

আমি আমজনতা

ইলিয়াস আলী ফিরে আসবে
মেয়েটি আনন্দ অশ্রু নিয়ে বাবাকে বলবে,
বাবা, তুমি ঠিক এই বুকের ভেতর ছিলে
আপামর জনতার বুকের ভেতর
বাংলাদেশের গভীরে…

আহ!
মাঝে মাঝে মনে হয় স্বপ্নই যদি জীবন হতো !

উম্মে সালমা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

শিরোনাম: আয়নাঘর নিয়ে শোক গাঁথা ( Elegies on the Mirror House)

Salma's Poems

বারোশ ত্রিশ দিন

বারোশ ত্রিশ দিন
বারোশ ত্রিশ দিন
বারোশ ত্রিশ দিন
ছোট্ট শরীর ছিলো ব্যথায় রঙিন
সুরের মূর্ছনায় যে গলা উড়তো
আঘাতে আঘাতে ছিল জর্জরিত

তার—পর
আর কিছু নয়
ক্রসফায়ার আর
গভীর কবর

বারোশ ত্রিশ সংখ্যা এরপর এরপর
এই বুকের ভেতর
বেদনার ডংকা বাজায় সারারাত ভর!

শিরোনাম: আয়নাঘর নিয়ে শোক গাঁথা (Elegies on Aynaghar)