Poems

On the Other Side of the Mobile

A whole day of travel
And you go to the other side of the mobile
I touch the second pillow
Nada starts to break my branches.

People gossip about space
People discuss about place
How space and place shred the travellers, the migrants, the exiles

But isn’t it time that cuts and hurts as like as the place?

Which pain is thicker than the one
That gives you the feeling of being unloved when craving?
Which anguish is creamier than the one
that gives you the feeling of remaining untouched when yearning?

The sun creamily rises to my world
The sleepy Jacaranda sheds their dreamy lethargy
Two possums stream over the electric rods

I design my breakfast plate
Two square bread, an oval egg, a green avocado, a triangular cheese
And finally a clear-cup coloured tea

You are absent
You are unreachable

Night seeps into your world at that time
The moon is teary-shiny over the streets
Sad-faced owls roam the sleepy woods
A mosquito net embraces your bed
A deep breath puffs your body up and down up and down

You are absent
You are untouchable

My hair cries Nada
My fingers tremble shunnota
My eyes shine emptiness

I pack my lunch
I push my laptop inside the pouch
I lock the door

Walking to the bus station

Awaiting the sun (and you)
to rise in my life.
Awaiting the mobile (and you)
to ring in my love.

……×……

Umme Salma, Toowong, 27 August 2025.

Poems

দুঃসহ স্মৃতির জুলাই ২০২৪/২৫

পায় পায় পায়
গুটি গুটি পায়
জুলাই এসেছে জুলাই
রক্তের রঙ
আকাশে ছড়িয়ে
বিপ্লবী আলোয়ায়

পায় পায় পায়
গুটি গুটি পায়
জুলাই এসেছে জুলাই
শত শত নাম
ছড়িয়ে দিয়ে
শহীদী সামিয়ানায়

মনে পড়ে
মনে পড়ে বার বার
কি সময় গেছে !
প্রবাস জীবনে
আহ্, অনন্ত কারাগার

নেট হীন এক দেশ
হেলিকপ্টার থেকে গুলি
গুম খুন অত্যাচারের
কি বীভৎস দূশ্যাবলি

অসীম বেদনায়
প্রতিটি মূহুর্ত প্রতিটি ক্ষণ
নীল হয়ে গেছে
বেঁচে ছিলাম না রূহ ছিলোনা
জানি নি তখন

প্রিয়জন প্রিয় দেশ মানুষেরা
কেমন আছে এই চিন্তায়
লুট হয়ে গেছে নাওয়া খাওয়া ঘুম
কাজ কর্ম সব সবটায়

শুধু অপেক্ষা শুধু যোগাযোগ
শুধু নতুন চিন্তা ভাবনা
মৃত্যুর মিছিল ঠেকানোর দোয়ায়
সম্মিলিত অশ্রু কান্না

তবু

এই সত্য নিয়ে কারা ট্রল করে
কারা করে জুলাই কে অবমাননা

তাদের ছেড়ো না ছেড়ো না

জালিমের তেলে ভাজা মাছ খেয়ে
লোভের চকচকে সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে
উপরে আরো উপরে উঠতে চেয়েছে
রাতকে দিন দিনকে রাত করেছে

তাদের জন্য কোন মায়া রেখো না।

মনে রেখো
ইতিহাসের পুনঃপাঠে
অত্যাচারী শাসক আর
তার সহযোগীদের প্রাপ্তির থলে
ভরে শুধু অভিশাপ
আর ঘৃণার চাষ বাসে

আস্ফালন?
ও পানিতে বুদবুদ
খানিক পিনিক ছড়িয়ে দিয়ে
হারাবেই নমরূদ।

উম্মে সালমা, ৮/০৭/২০২৫, টুঅং

Poems

তোমাকে স্বপ্ন ভেবে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম

তুমি ছিলে মন
আমার জীবন
তোমারি রোদে বাঁচে আমারি পাতা
যেমন সবুজ হয়ে থাকে উদ্ভিদ-সালোকসংশ্লেষণ

আমি এই এই আমি
হাঁটতাম চলতাম কত কাজ করতাম
ভাবতাম আমার জীবন আমার সংসার
আমার ভালোবাসা আমার সকল রঙ
সবচেয়ে দামি

তোমার কাছে
তাই

চারপাশ ভুলে
নিবেদিতা চুলে
দু’চোখ আরামে মুদেছিলাম
স্বপ্নের মতো
আলোতে আনত
আমাদের রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম

অথচ

তুমি দিশেহারা মন
আবাধ্য নয়ন
মেলে দিয়ে ছুতে গেলে
আরেক গগণ

দুর বলেই কি আরেক গগন এতো সুন্দর!
মার্চের গোলাপী আকাশের মতন?
ফরসা বলেই কি কাশ ফুলের শরীর
এত বেশী ভালোলাগে এতটা নিবিড়

কি জানি!
জানিনাতো?

শুধু জানি
পুরুষের মন
নড়বড়ে ভীষণ
প্রেমময় স্ত্রী কিডনী কিংবা জীবন
যাই দিয়ে যাক
মুল্য তার নেই নেই নেই কানা কড়ি পন।

নারীর মূল্য আসলে কি
বুঝতে শরৎ বললেন,
যারে সমাজ পুজা করে
আহা!
তার জন্য সহমরণ !

কি পরিহাস! কি পরিহাস!
জাতি সংস্কৃতি নির্বিশেষে
নারীর প্রতি অবিচারের এ কেমন প্রকাশ?
এই পথে নয় ঐ পথে
এক না এক উপায়ে
নারীর, স্ত্রীর কিংবা সতীর জীবন
হয়ে উঠবে ভঙ্গুর দুঃখের নিঃশ্বাস ?

কেন?কেন? কেন?

শুধু
তুমি হবে মন
পুরোটা জীবন
শুধু
এই ইচ্ছায়
শুধু
এই ব্যবস্থায়
নারী কি প্রতারিত হবে?
বেহেস্তে জন্ম নেয়া
প্রাগৈতিহাসিক
এই লিঙ্গের জীবন
শোক রক্তে ভেসে যাবে?

বার বার বার বার বার বার

কত কত বার?

উম্মে সালমা, ৫/০৭/২০২৫, টুওং
[ স্বামীকে কিডনি দান করা বাংলাদেশী স্ত্রীর নির্যাতিত এবং প্রতারিত হবার কষ্ট দেখে আমার এই poetic reflection]

Poems

After Smashing

You’ve smashed my love
My loving fold
Panic attacks I suffer now
Non-seasonal cold
You’ve shattered my heart
golden olden days
The Sun set long, long ago
Birds tweet no lays
My heart is now a broken mirror
shards and pieces
I only long for healing, dealing
In Rosy kisses In God’s blisses

I want to rise again like a sphinx
I want to rise
Even when love shatters open’d the ties
I want to feel again like a human being
I want to feel
I want to shout alone, alone I to sing.

Umme Salma, 10/03/2025

Poems

আমি কাঁদলে তোমার গানের কোন কলি থেমে যায়


আমি কাঁদলে
তোমার গানের কোন কলি থেমে যায়
আমি কাঁদলে
তোমার লেখার কোন বুলি ঘেমে যায়
আমি কাঁদলে
তোমার বুকের কোন পালে লাগে ব্যথা
আমি কাঁদলে
তোমার চোখের কোন কোণে জললতা?

নাকি কান্না আমার ক্ষুদ্র পিপিলীকা
চুপচাপ শুধু হাঁটে
নাকি কান্না আমার কালো মৌমাছি
ভাষার বিভ্রাটে

জানিনা আমি জানি না
সংসারের এসব হিসেব নিকাশ
সংসারের এসব বিশ্রী বিন্যাস
মানি না মানি না।

স্বৈরাচারী দলীয় ভালোবাসা না না না।

উম্মে সালমা, ১০/৪/২০২৫, টুঅং

Poems

শব্দগুলো হারিয়ে গেছে

শব্দগুলো হারিয়ে গেছে
কষ্ট নামক মেলায়
রঙিন ফিতে মিষ্টি ঝুটি
নাগরদোলা খেলায়

তোমরা তারে দেখলে কোথাও
নিয়ে এসো বাড়ি
আমার দুয়ার দখিন খোলা
সুখের সাথে আড়ি।

শব্দ সাথী
শব্দ সাথী
কোথায় আছো তুমি
জোনাক বাতি
জোনাক বাতি
জ্বালছে বনভূমি।

কষ্ট নামক মেলায় যদি
এমন হয়ে যায়
শব্দ কেন পড়লো ভেসে
দুখু কবির পায়?

উম্মে সালমা, ১৬/০৪/২০২৫

Poems

হে আল্লাহ্‌ মন ভালো নেই

মন ভালো নেই
শরীরো
ওদের কি আর দোষ দেবো
ভেতরে জমে থাকা অজস্র দুঃখ
কটকটির মতো শক্ত হয়ে উঠেছে
ভালোবাসার কোন উত্তাপ তাকে গলাতে পারেনি।

মন ভালো নেই
ঈদ এসেছে
মন ভালো নেই
সবাই ঘর গুছাচ্ছে
মন ভালো নেই
সবাই বেড়াতে যাচ্ছে
মন ভালো নেই
সবাই ছুটি কাটাচ্ছে
রক্ত কমে যাচ্ছে
হিমোগ্লোবিন আর অক্সিজেন নিয়ে ঘুরতে পারছে না শরীরে
মাথা ঘুরছে চারপাশ ঝিম ঝিম ঝিম
যেন চবির শাটল ট্রেন আমার পাশ দিয়ে চলে গেল

আমাকে পরিত্রাণ দাও হে আল্লাহ্‌
আমার মন ভালো করে দাও
আমার চোখের ভেতর অপার্থিব আলো জ্বেলে মন খারাপের নর্দমায় বৃষ্টি ঢেলে দাও
এক মুষুলধারের বৃষ্টি সবকিছু ধুয়ে মুছে সাফ করে দিক!
নিদারুণ রহমতের বৃষ্টি।

উম্মে সালমা
৬/৬/২০২৫

Poems

ভুলে গিয়ে ভালো থাকা

তোমার জন্য আমার ফটো এ্যলবাম
আলমারির এক তাকে
এবং
ফেসবুকের এক কোণে
আপলোড করে রেখেছি
যদি কখনো সময় হয় একটু ঘুরে এসো
আমার শেলফ
আমার ওয়াল
দেখে এসো
তুমি যে বার বার বলো,
“না, মনে নেই”
“সব ভুলে গেছি”
“আমার এত কিছু মনে থাকেনা”
সেটা আমার হৃদয়ে কতটুকু রক্তক্ষরণ করে
কতটুকু কান্না বিলাসী ভোমরার মতো উড়ে বেড়ায় চোখের অরণ্যে।

মানুষের জীবনে বর্তমান টা আর কতটুকু ই বা স্থায়ী!
সকালের স্বাদ কি তরতরিয়ে
দুপুরের তিক্ততা
বিকেলের ব্যস্ততা
আর রাত্তির মৌনতায় ডুবে যায় না?
একমুঠো নীলাকাশ কি এক লহমায়
একটি রংধনু হয়ে ওঠে না?
একটি সুশান্ত সাগর মূহুর্তেই কি অশান্ত হয়ে সব তছনছ করে দেয় না?

তাহলে?
তাহলে যা নিয়ে আমরা বাঁচি
তা কি বর্তমান?
নাকি তার নাম অতীত
প্রতিমুহূর্তে যার জন্ম প্রতি মূহুর্তে যার জমা জমায়েত স্মৃতি নামক এক দুঃসহ এ্যলবামে

স্মৃতি: কোথায় থাকে এই এলবাম?
কালবে? না মস্তিষ্কে?
আবেগে না যুক্তিতে?

স্মৃতি: কোথায় থাকে এই স্টোরেজ?
মনে না মননে
দৃষ্টিতে না দর্শনে?

আমি বুঝতে পারি না
আর এই না বুঝতে বুঝতে আর্তনাদ করি
তোমার ভুলে যাওয়ার মতো করে
আমি ভুলতে পারিনা কেন?
কেন আমার অশরীরের কোন খাঁজে ছোট ছোট ফাইল হয়ে জমে ওঠে
দিনযাপনের দিনগুলি

কেন আমি গেয়ে উঠি
দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না
কিংবা
জীবনের সোনাঝরা দিন গুলো হায় শীতের পাতার মতো ঝরে যায়
কেন আমি মোবাইলে ফেসবুকে অবিরত খুলতে থাকি স্মৃতির খাতা?

আর এইভাবে কি শিখা যায়?
কিভাবে ভুলে গিয়ে ভালো থাকা যায়
কিভাবে ভুলে গেলে জীবন স্বাভাবিক লাগে
কিভাবে মানুষ বরফের মতো বর্তমানে
হেসে খেলে বেঁচে থাকে!

উম্মে সালমা, ১১/০৬/২০২৫, টুঅং

Poems

তোমার চোখ যেন প্রতিদিনের কবিতা


তোমার চোখ যেন
প্রতিদিনের কবিতা
আমি পাঠ করি প্রতিদিন সকালে
যেমন আমার দাদা পাঠ করতেন:
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি

অথচ আমাদের পাঠশালার পাঠে কত ফারাক
দাদুর কবিতা দাদুকে ভরিয়ে তুলতো জীবনবোধে
আমার কবিতা আমাকে ভরিয়ে তুলে প্রশ্নবোধে

আর এভাবেই বুঝতে পারি
ভুল ভালোবাসা ভুল সম্পর্ক
ভুল জীবনদর্শনের জন্ম দেয়
ভুল পথে পরিচালিত করে।

উম্মে সালমা,২৬/০৬/২০২৫

Uncategorized

জীবন মৃত্যু: একটি এন্টিহেডোনিষ্ট ভাবনা


যেখানেই আপনার আমার মৃত্যু সেখানেই মৃত্যুর দূত আমাদের হাতছানি দিয়ে ডেকে ডেকে নিয়ে যাবে। যেদিন সিদরাতুল মুনতাহা ‘র পাতা ঝরে যাবে তার থেকে গুনে গুনে চল্লিশ দিন তারপর মৃত্যুর পথে পদযাত্রা শুরু। এক ঘন্টা এক মিনিট এক সেকেন্ড এক অনুপল আগানো কিংবা পেছানোর সুযোগ নেই। আপনি সেই নির্দিষ্ট সময়ে যা ই করেন না কেন: ঘুমিয়ে থাকুন, রাস্তায় থাকুন, ঘরে থাকুন, কাজে থাকুন, হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বক্তৃতা বা গান বা কবিতা গাইতে থাকুন, কিংবা আরো আরো অনেক অনেক কিছু, মৃত্যুর দূত আমাকে আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকলে সেই ডাক উপেক্ষা করার মতো ক্ষমতা আমাদের দেয়া হয়নি।
এই সত্য যদি বারবার আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা যদি কোন সুপার পাওয়ারের না থাকতো তাহলে কেন একটি নিষ্পাপ শিশু দশতলার ছাদে খেলতে গিয়ে খেলার এক পর্যায়ে ছাদের টিনের উপর ওঠা মাত্রই টিন ভেঙে দশতলার নীচে পড়ে যাবে? এক সেকেন্ডে জীবন নামক এত মায়া এত মজা সবকিছু শেষ হয়ে যাবে? যতবার সিসিটিভি ফুটেজ দেখছি ততবার অবাক হয়ে দেখছি দশতলার টিনের চালে উঠতে গিয়ে মেয়েটি প্রথমবার পা পিছলে গেল। সে উঠতে পারল না। কিন্তু সে থামলো না। দ্বিতীয়বার আবারো কষ্ট করে টিনের চালে উঠে পড়লো এবং এক সেকেন্ডে পুরোনো টিন ভেঙে একদমই নীচে… ইন্নলিল্লাহ ওইন্নাইলাহি রাজিউন।
সে চাইলেই কি এই মৃত্যু থেকে রেহাই পেতো? আমি বিশ্বাস করি, না। ঐ পাশে মৃত্যুর দূত তাকে ডাকছে। দুনিয়ার সফর শেষ করতে হবে। জান্নাতের বাগান প্রস্তুত।‌ তার বাবা মায়ের পরীক্ষার ক্ষেত প্রস্তুত। তো আর কিসের অপেক্ষা?
সুলাইমান আঃ এর সময়কার ঘটনা। আজরাইল আ: কে পাঠানো হলো এক ব্যক্তির রুহ কবজ করার জন্য। আজরাইল এসে দেখে তার মৃত্যু যেখানে হবার সেখানে সে নেই। তো আজরাইল আ আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন এবং জানতে চাইলেন, তিনি কি করবেন? ঐ লোক তো তার জায়গায় নেই।‌ আল্লাহ বললেন, তুমি চিন্তা করো না সে সেখানে পৌঁছে যাবে। তুমি সুলাইমান আঃ এর দরবারে যাও। মৃত্যুর দূত সেখানে চলে গেলেন এবং মানুষের বেশ ধরে সুলাইমান আঃ এর দরবারে সবার সাথে বসে রইলেন আর মানুষটির গতিবিধি খেয়াল করছিলেন। অন্যদিকে মানুষটিও একটু অবাক হয়ে ভাবছিলেন, ঘটনা কি? লোকটি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেন? তিনি ভাবলেন, না আর বসে থেকে লাভ নেই। দেশে ফিরে যাই। তিনি সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রওনা হয়ে চলে গেলেন এবং তার দেশের পৌঁছার পর পর মৃত্যু বরণ করলেন। আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া বন্দোবস্ত কি করে বাস্তবায়ন হয় এই ঘটনা আমাদের সামনে রেখে গেলেন যাতে আমরা যেন মৃত্যুর অনিবার্যতা জীবনের পাশাপাশি ধারণ করি।
এত কথা বলার একটা ই কারণ নিজেকে এবং আমার আত্মীয় স্বজনকে, বিশেষ করে সন্তানহারা বাবা আমার মামা (Nizam Uddin Nizam কে সান্ত্বনা দেওয়া। মনটা কে শান্ত করার চেষ্টা।
ছোট্ট মামনির যাবার সময় এবং পথ এটাই ছিল। এটাই সে তার তকদিরে করে নিয়ে এসেছে। আমাদের এই পরিণতি পরিবর্তনের কোন শক্তি নেই। আমরা কেবল দোয়া করতে পারি, এমন দোয়া যেটা আমাদের শিখিয়ে দেয় দূর্ঘটনাজনিত সমস্ত বিপদ থেকে আল্লাহ যেন আমাদের হেফাজত করেন।
তবে আমরা মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ প্রাণী। আমরা জীবনে আসল কথা ভুলে যাই আর দুনিয়ার জীবন নিয়ে মত্ত থাকি। আমাদের unlimited fun and enjoyment এর ভোগবাদী দর্শন আমাদের ভুলিয়ে দেয়, দুনিয়ার জীবন একটি অপরাহ্ন এবং একটি বিকেলের মতো। আমরা সেই একটি ছোট্ট সময়কে আমাদের নফসের পূজা শরীরের খেলা খেলতে খেলতে পার করে দেই। ভাবি, এই আনন্দ এই জীবন। খাই দাই সাজগোজ করি টাকা পয়সা কামাই আর আনলিমিটেড ফূর্তি করতে থাকি। ভাবি, আমাদের আর পায় কে!
আসলে, এইসব সব ধোঁকা। মৃত্যু জীবনের পাশে পাশে হেঁটে চলছে। একদিন একসময় হয়ত চোখ রাঙিয়ে ভয় দেখিয়ে নয়তো ভালোবেসে হাত ধরে বলবে, চল। যেতে হবে।
সেই দিনটা যেন আমাদের ভালোবাসার হয় আরামের হয় তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত? Let’s reflect. Let’s think a moment. Let’s stop a sec and ruminate.
দোয়া করি আল্লাহ ছোট্ট নিষ্পাপ মামণিকে জান্নাতের বাগানের মেহমান করুন আমীন। তার বাবা-মায়ের নাজাতের উসিলা করুন। আমিন।

উম্মে সালমা, ৩০ জুন, ২০২৫.