Salma's Poems

যে আমি বাংলাদেশ

আমি তোমাকে মন প্রাণ
আর বিশ্বাস দিয়েছিলাম
তুমি তাদের আহত করেছো
বিলাপ হয়েছে তার নাম।

যে শব্দ যে গোপনীয়তা
আমাদের ছিল
তাকে দিয়েছো খুলে
আমার সম্মান হানির
চাবির গোছা
প্রতিবেশীর অঞ্চলে
দিলে তুলে?

বুকের ভেতর যে ব্যথা
কোন ওষুধ তাকে
সারাতে পারে না
চোখের ভেতর যে জল
কোন রুমাল তাকে
সরাতে পারে না

ঠকে গেছি ভালোবেসে
কাছে এসে কাছে এসে
মরে গেছি ভালোবেসে
কাছে ঘেঁষে কাছে ঘেঁষে

কাবিনের কারুকাজে
বৌ সাজে আমি সেজে
যে ঘরে এসেছি
সে ঘরে এক শয়তান
সাদা মতো মুখখান
ডেকে এনেছি

তারপরের গল্প বেহুদা বলা
অন্যের ধনে যার চোখ
সাদাসিধে বেহুলা বোঝেনা
তার নিখুঁত ছলাকলা।

তোমাকে দিয়েছিলাম আমি
আমাকে আমার মানচিত্র
বলেছিলাম দূর্বল হইয়ো না প্রিয়
সাহসে সীমান্ত পাহারা দিও।‌

সীমান্ত দিয়েছো খুলে জলঢাকা
মানচিত্রের মুখ
প্রিয় তুমি অপরূপ বিশ্বাসঘাতক
তার বিচার চলুক…

উম্মে সালমা
২/২/২০২৫

Salma's Poems

আমার মুরুব্বীরা আমাকে নিয়ে যুদ্ধ করছে

আমার মুরুব্বীরা যুদ্ধে লিপ্ত, বাক আর সবাক যুদ্ধে
আমাকে নিয়ে
ক্ষণে ক্ষণে হুংকার ছাড়ছে রক্ত চোখে হুমকি দিচ্ছে একে অন্যকে
আমাকে নিয়ে
বিলিয়ে যাচ্ছে সর্বত্র আঞ্চলিক এবং বাংলিশ ভাষায় পচা-পাপড়ি
এই আমাকেই নিয়ে

আমি চুপচাপ বসে আছি
দুলছি সহায় অসহায়ত্তের দোলাচলে
দেখছি যা দেখার কথা নয়
শুনছি যা শোনার কথা নয়

একদল আমাকে ডাকল এবং যমুনার কাছে নিয়ে গেলো
স্রোতসিনী যমুনায় ভাসিয়ে দিলো কারুকার্যখচিত নৌকা
বলল নৌকার প্রয়োজনীয়তার কথা এই নদীমাতৃক বদ্বীপে

অন্যদল আমাকে নিয়ে গেল আবারিত ক্ষেতের ধারে
যেখানে তরঙ্গায়িত ধানের শীষ বাজিয়ে চলল নুপুরের সুর
যেখানে ধান ধান-ভানা খোরাকের কত কৃষক দিন আমলিন

আরেকদল আমাকে নিয়ে গেলো এক মুদি দোকানে
দাঁড়িপাল্লা আর বাটখারার বাটোয়ারায় ক্রেতাদের ভীড়ে
শোনালো ন্যায়বিচার আর অন্যায় পথের পরিক্রমা কেমন

"চলে এসো এ পথে"
একসাথে সবাই ছুঁড়ে দিলো একি আহবান

আমি পারলাম না
আমি কিছুই পারলাম না রক্ত বিভেদ আর হানাহানির ইতিহাসে
শুধু অনুনয় করে বললাম
"আমাকে সার্থক সাংস্কৃতিক সিন্থেসিস দিন
আমি থাকবো দুধে ভাতে।"

উম্মে সালমা
২০১৩ ফেব্রুয়ারি
[শাহবাগ বিভেদের সময় লেখা]
Salma's Poems

রাইটার্স ব্লক ২

“কাঁঠালিচাঁপা ফুটলে তোমারে খবর দেবো”… “ফোনে”
বলে সেই যে কবিতা চলে গেছে আর আসেনি
আমিও পথ চেয়ে থাকিনি
এনালগ ডিজিটাল এবং মোবাইল অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে
পার করে দিয়েছি বাইশ তেইশ পঁচিশ ছাব্বিশ …
কবিতা খবর দেয়নি
না এন্টিক মিডিয়া চিঠিতে
না ডিজিটাল ডিজুস ফোনে

কবিতার কথা মনে পড়েছে ডান আর ভন এর
মেটাফিসিকাল মোহগ্রস্ততায়
মনে পড়েছে পোপ, মাথু, আর ইয়েটসের পেলবতায়
-কবিতা তুমি চলে গেলে কেন?
-কবিতা,কাঁঠালিচাঁপা কি এখনো ফুটেনি?
-কবিতা, আর যোগাযোগ করনি কেন?

কান্নার হিক্কা চেপে ঘুরে এসেছি চট্টগ্রাম দক্ষিণ
ঘুরে এসেছি উত্তরের বিদ্যাপীঠ
মহাসড়কে অলি গলিতে যেখানে মানুষ দেখেছি
সেখানেই সারসের মত গলা বাড়িয়ে দেখেছি
কবিতা কি কমলা বুয়ার মতো ময়লা থালাবাটি নিয়ে
কামের বাসার দিকে ছুটছে কিনা
অথবা আমেনার মতো রংচঙা সালোয়ার কামিজ পরে
কাঁধে বাগ চাপিয়ে হাতে টিফিন বক্স নিয়ে
সে সাত সকালে যাচ্ছে কিনা গার্মেন্টসের দিকে

বরফ সময় আসর সময় গলে গলে গেলো
কত কামরাঙা ফুল বাজারে এলো
কত কচুপাতা শোপিজ হলো
কত কাঁঠালিচাঁপা ড্রইংরুমে শোভা পেলো
কবিতার দেখা মিললো না

কবিতা তো সাত সকালে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা
কমলা খাতুন আর আমেনা বেগম
এই সব নতুন রুপকল্প আমার বলা হল না ।

ঊম্মে সালমা, মূল রচনাকালঃ ২৬/০৮/২০০৪, পরিমার্জিতঃ ১৬/১২/২০২৪

oplus_32
Uncategorized

রাইটার্স ব্লক

আমাকে কবিতার কথা বলোনা, আমি বেচাইন হয়ে যাই
আমাকে কবিতা পড়তে বলোনা, আমি উচাটন হয়ে যাই
কবিতার পাপড়ি-ঝরা সৌরভে আমি মুখরিত
ছিলাম
একদিন
আর
আজ?
কবিতার পাপড়ি-পচা দুর্গন্ধে আমি জর্জরিত
আমি কি পচে গেছি
তাই
কবিতারা পচে গেছে
আমার?

কত কত দিন গেলো কেউ দ্বার ধরে হাসলো না
কেউ না- না রাত্রির চাঁদ না ভোরের রশ্মি
না মেঘের কচড়া না নিঃসীম নীপবন

আমি আর লিখতে পারিনা
আমার নার্ভগুলো যেন মরা জমি
সৃষ্টির যে মহানুভব নিষেক
সেটা আমার গর্ভের কোথাও নেই
ব্যথাগুলো গলা পর্যন্ত ঠাসা
আর কলমে ছাতা

আমি কাত হয়ে গেছি, উপুড় হয়ে গেছি
সাইক্লোন কবলিত এক বৃক্ষের মতো
এরপর আমাকে পদদলিত করে গেছে এবং যাচ্ছে
না-লেখা
কত কত দিন কত কত বছর

কবি এখন কাঁদবে
তোমরা এখন সবাই চলে যাও। যাও!

উম্মে সালমা
original writing time: ২০০৩, নাইট
[slightly edited in 2024]

oplus_32
Salma's Poems

হিসাব নিকাশের কাঠগড়ায়

পবিত্রতার আলো দিয়ে গড়িয়ে দিলাম তোকে 
অন্ধকারে ডাকতে চায় কোন সে
ভদ্দরলোকে?
রুপ যা আছে নষ্ট আর নষ্টামীতে ভরা
লোভ দেখিয়ে ঘরে আনে
প্রেম খেলার এক জ্বরা
উপর থেকে নীচতক বড্ড ভীষণ ক্ষুধা
সমাজ সংসার খেয়ে নেবে সাথে বসুন্ধরা

আর ওদিকে একটি দল এমন এমনতরো
সব দিয়ে দেয় নেক কাজে
দিতে চায় আরো
খুলবে যখন কাঠগড়া দাঁড়াবো যখন গিয়ে
বলবো প্রভু যে কেড়েছে আমার পৃথি
রঙিন রুপ দিয়ে
ফিরিয়ে দাও ওসব কিছু আমার সকল দেনা
বুঝুক আজ পঁচা মাংসের স্বাদ কেমন চেনা!

উম্মে সালমা
18 November 2024
Salma's Poems

একেক দিন মনে হয়

একটি শান্ত সকাল। 
ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি।
মৃদু মন্দ হাওয়া।
পাখির কিচিরমিচির।
কুকুরের ডাক।
একজন প্রিয়জন।
মায়াবী সন্তান।
একটি পরিবার।
পাশাপাশি বসে থাকা।

কমলা ফুল।
ফুটছে ঝরছে ।
নদীর তিরতির জল।
ঘাটে নৌকা।
কার্পেট-সবুজ ঘাস।
একজন তুমি।
একজটলা তোমরা।
একসাথে আনারবিচি।

একেক দিন মনে হয় এটাই জীবন।
একেক দিন মনে হয় এটাই নিয়ামত।
একেক দিন মনে হয় এভাবেই মৃত্যু আসুক
দরজা খুলে আঙুলে আঙুল দিয়ে
দূত মিষ্টি করে বলুক, চল, ঢের হয়েছে।

এরপর
এরকম কার্পেট সবুজ ঘাসের নীচে
আমি
ঘুমিয়ে থাকি অনন্তকাল।
কষ্ট নেই ব্যথা নেই চিন্তা নেই।
হারাবার ভয় নেই।
একটি দরজা।
হু হু শীতাতপ বাতাস।
কোমল বিছানা।
নূর হয়ে ওঠা সূরার সঙ্গ।
প্রভুর আপ্যায়ন।

একেক দিন মনে হয় এটাই জীবন
একেক দিন মনে হয় এটাই নিয়ামত
একেক দিন মনে হয় এভাবেই নবজীবন শুরু হোক
কাউসারের গ্লাস হাতে নিয়ে
দূত ভালোবেসে বলুক, এসো, ঢের হয়েছে।

এরপর
বাতাসে আনন্দ ।
তলদেশে ঝরণাধারা।
সুসজ্জিত ঘর।
প্রভুর দিদার।
একজন তুমি।
একজটলা তোমরা।
একেক দিন পৃথিবীর প্রিয় ভালোবাসাদের সাথে খুনসুটি।

উম্মে সালমা
২০/১১/২০২৪
Salma's Poems

যুদ্ধ শেষ হলে সবাই বাড়ি ফিরতে পারে না


যুদ্ধ শেষ হলে সবাই বাড়ি ফিরতে পারে না
যুদ্ধ শেষ হলে একটা লাগেজ গুছিয়ে একদিন সকালে বলা যায় না, আমি আসছি।
যাপন করে আসা জীবন প্লাষ্টিকের গ্লাসের মতো বিনে ফেলে দেয়া যায় না
অনলাইন খুঁজে খুঁজে সবচেয়ে সস্তা টিকিট কিনে
বিমানের ফ্লাইট ধরার জন্য
উবার কল করা যায় না
মেয়েকে বলা যায় না তুই থাক আমি যাচ্ছি
সঙ্গীকে বোঝানো যায় না দেশ আমায় ডাকছে
লাইভে হাসতে হাসতে বলা যায় না
ভ্রাতা ভগিণীগণ মহোদয় মহোদয়া
দেশের মাটিতে দেখা হচ্ছে খুব শিগগিরই

যুদ্ধ শেষ হলে সব যোদ্ধা ঘরে ফিরতে পারে না
সব যোদ্ধা  লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বলতে পারে না
যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত আমি
বলতে পারে না টিউব ওয়েলের  ঠান্ডা এক কোট্টা পানি খাব দেশে গিয়ে
বলতে পারা যায় না
ভাইগণ বন্ধুগণ, আমি অধিকারের ফেরী ওয়ালা
আপনাদের কাছে বেচবো ন্যায়ের গান
দেশমাতৃকার উনুনে রাঁধা হবে যে এক ঢেগ ভাত আর ইলিশের দোপেঁয়াজা
সেটা আমরা ভায়ে ভায়ে বোনে বোনে ভাগ করে খাবো

যুদ্ধ যখন শুরু হলো
যখন স্বৈরাচার দুরারোগ্য ব্যাধির মতো
ছড়িয়ে পড়েছিল বডিপলিটিকে
মা বলেছিলো
দেখিস একদিন এই ব্যাধি সেরে যাবে
বাবারা গুম হতে ফিরে আসবে
ভাইয়েরা সল্টেড বিস্কুট হাতে নিয়ে কলিং বেল বাজাবে
স্বামীরা ঘরে ঢুকে ত্রস্ত বিতস্র হয়ে বলে উঠবে
এই বাজারের থলে দাও কতদিন বাজার করিনা
তুই ছুটতে ছুটতে ব্যাংকে যাবি হাত খালি
আমি জায়নামাজ বসে দোয়া করতে করতে বলতে থাকবো
ফাবিআইয়ি আ'লা ই রব্বি কুমা তুকাজ্জিবান...

মা, পাশের বাড়ির কমল কি বাড়ি ফিরতে পেরেছিল? যে যুদ্ধে যেতে যেতে সীমানা পেরিয়ে পরে ডিজিটাল অস্তিত্ব হয়ে গেল
মাথার উপর হুলিয়া নিয়ে প্রতিদিন হাজির হতো মুসাফিরের মতো
প্রতিদিন ভাইয়া সবাইকে চুপ করিয়ে দিতো তার কবিতাময় যুদ্ধ শুনবে বলে?

মাগো, জরিনাপুরের সুমন কি বাড়ি ফিরতে পেরেছিল? ঐ যে সে যে যুদ্ধে গেল বলে
সাদাপোশাকে একদল মানুষ তার বোনকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ রিমান্ড চেয়েছিল
তার ঘর তছনছ করে দিয়ে ছিলো

মা ও মা ঐ যে উওর পাড়ার উকিল ছেলেটা
মনে আছে ? সে কি বাড়ি ফিরতে পেরেছিল ?
যুদ্ধে নামবে বলে নিয়ত করাতেই
ওরা ওকে একদিন কোথায় যেন নিয়ে গিয়েছিল আর ওর স্ত্রী কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো
অন্ততপক্ষে আমাকে ওর লাশ দাও। আমি দাফন করি।

যুদ্ধ শেষ হলে সবাই বাড়ি ফিরতে পারে না
সিস্টেম চুরমার করে দিতে পারে না
আমলাতন্ত্র ধোয়া তুলসী পাতা হয় না
সংবিধানের চোখে চোখ রেখে বলা যায় না
তোর সাথে ছাড়াছাড়ি
কাককে বলা যায় না কোকিলের ঘরে ডিম পাড়িস ক্যান
রাঘব বোয়ালদের বলা যায় না তোর হা এত বড় কেন
শিং মাগুর কে বলা যায় না আঙি দিস কেন
ছুরি কে বলা যায় না কাটিস না
আগুন কে বলা যায় না জ্বালাস না
কালো কে বলা যায় না
বহুত হয়েছে বাপ এবার সাদা হ!

যুদ্ধ শেষ হলে বাড়ি ফেরা যায় না
যুদ্ধ শেষ হলে শুধু আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়

উম্মে সালমা
২/১১/২০২৪

Salma's Poems

সার্ভাইভারস গিল্ট ‘২৪

খুব বেশী মেঘ জমে
খুব বেশী কালো
আমি জানি তুমি নেই
একটুও ভালো

আমি জানি তোমরা নেই
একটুও ভালো
বুলেটে বিসর্জন দিয়ে
দু চোখের আলো

বুলেটে বিসর্জন?
শুধু তাই নয়
সারপ্নেলের এ শরীরে
জীবন সংশয়

শত শত মুখ চোখ হাত পেট
মাথার খুলিতে
ক্ষত বিক্ষত এ শরীরগুলো
এ কেমন গুলিতে

অথবা

পড়ে আছো মরে আছো
এমন কোমায়
সভ্যতা নাশকারী জীবন হরণকারী
ভয়ানক বোমায়


আর ওদিকে...

সারাদিন ওরা থাকে
মতের অমিলে
কথার পাহাড় গড়ে
এ ওকে ছিলে

ভালোর চিন্তা নেই
ভালো আছে বলে
নিজেদের হিস্যা ই চায়
রাজ কৌশলে?

সবসময় তাই (আমি এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র)
অপরাধী হয়ে যাই
বেঁচে থাকার কষ্টে
হারাই হারাই

সবসময় তাই
সব সকাল ভাই
সময়ের কাছে
হেরে হেরে যাই

এমন অস্ত্র কেন মানুষ বানালো
এই প্রশ্নের কাছে খেই ই হারাই
এমন অস্ত্র কেন মানুষ চালায়
উত্তরহীন প্রশ্নে শুধু খুব তড়পাই

উম্মে সালমা
২৮/১০/২০২৪


Salma's Poems

ভালোবাসার দিনে অসহনীয় পংক্তি!

তারা বলল, মানুষ? কেন? মানুষ মানেই তো রক্ত, খুনোখুনি, বিপর্যয়
তিনি বললেন, আমি জানি তোমরা জানো না।
তারপর
তাঁর ভালোবাসার মাটির মানুষ হাজির হলো
তাঁরি মহিমায় উদ্ভাসিত হতে হতে
একে একে বলে দিলো কত কত নাম…
সবাই সিজদায়
শুধু সে ছাড়া: জ্বলজ্বলে এক আগুন অহংকারে উর্ধ্বমুখি ।

সেদিনই কি রচিত হয়েছিল ভালোবাসার দিনে অসহনীয় প্রথম পংক্তি?

২৯/১১/২০২৩

English version:

An Ugly Verse on a Day of Love

They exclaimed, human beings? why? 
Human beings mean bloodshed, murder, and anarchy
Zie said, You don't know what I know!
Then
Unfurling Hir aurora around
A lovely terracotta human ambled 
and told all the names of the things abound... 
Everyone bowed low
Except he: an arrogant flame flashing upward.
  
Was that the first time in eternal history 
an ugly verse was pencilled? 

29/11/2023


		
Salma's Poems

অনেক কথা বলার ছিল বলছি না

অনেক কথা বলার ছিল বলছি না
একলা দুপুর চোখের জলে গলছি না
ভালোবাসার মিথ্যে কথায় টলছি না
আগুন ভরছে হৃদয় তবু জ্বলছি না।

এই যে আমি এই সময়ে
ভাবতে বসি
চলবো নাকি? থেমে যাবো
হিসাব কষি

কষ্ট লাগে এই সময়ে ছুটতে ভীষণ
কষ্ট লাগে এই জীবনে গড়তে এমন

তার উপর বিশ্ব জুড়ে এমন খেলা
শক্তির আর অন্যায়ের আসরবেলা
সময় সময় এমন করে বুক কাঁপায়
দেয় তুলে নিজের ছবি মন আয়নায়

এইসব নিয়ে…

অনেক কথা বলার ছিল পারছি না
নিজের কাছে নিজে তবু হারছি না
মিথ্যে কথার মরীচিকায় মরছি না
বৃষ্টি হয়ে এক আকাশেই ঝরছি না

এই যে আমি এই সময়ে
অস্হির রুপ
খুঁজতে থাকি এলোমেলো
নিজের স্বরূপ।

উম্মে সালমা , ১৬/১১/২০২৩, টুঅং