আমার দুঃখগুলো যদি এক সিলান্ডার বায়বীয় পদার্থ হতো রিদয়ের দরজা জানালা গুলো খুলে সিলিন্ডারের মুখটা সরিয়ে দিতাম বাতাসের সাথে মিশে একটু একটু করে ওরা অবলীলায় হারিয়ে যেত। আমার দুঃখগুলো যদি হত ডিমের খোসার মতো ঠুনকো এবং উপকারী প্রতিদিন তাদের ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে তোমার টবের মাটিতে মিশিয়ে দিতাম সার হয়ে তারা মেক্সিকান মরিচ গাছগুলোকে তরতাজা করে রাখতো। অথচ ওরা হয়ে উঠলো কনক্রিট পাথর বিন্দু হতে জমতে জমতে একটি দ্বীপ থেকে একটি মহাদেশ হয়ে উঠার মত ক্ষমতাবান। না আমি না তুমি কেউই তাকে নাড়াতে সরাতে ভাঙতে ডুবাতে পারেনা। ওরা জীবনের টগবগে সময়গুলোকে মৃত উটের মতো কবরে নামিয়ে ফেলে। ভালো থাকার সহজ সূত্র এই একটা ঘর একটা মানুষ কয়েকটি কচিকাঁচা এক মুঠো অন্ন কে তারা তুচ্ছ করে যা নেই তার জন্য হাপিত্যেশ করে। আধুনিক দুঃখগুলো এরকম। গন্তব্যের চেয়ে স্টেশন এদের প্রিয়। এরা ভাবে পরের স্টেশনে পৌছুলেই হলো কিন্তু পরের স্টেশনে গিয়ে তার পরের স্টেশনের জন্য প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকে আর ঘামতে থাকে দীর্ঘশ্বাসের জ্বরে। হে ব্যক্তিক সত্তা হে অশান্ত প্রাণময় তুমি এ দুঃখের হাত হতে রক্ষা চাও হে প্রেমের সম্পর্ক হে দুস্হ দুঃস্বপ্ন তুমি খোঁজ কর একটি সময়ের যখন ভালোবাসার একটি আয়াত অনুরণিত করবে বিদগ্ধ নফস: আর মুক্ত করবে অসন্তুষ্টি থেকে।


