Poems

2020

2020 is a weeping memory in my heart
2020 is a sobbing stain in my clothes
Learning what creases the souls and films a deadly day
Watching how bodies in the graves are crowded
how bodies burned in the pyre, ashes and ashes

2020 feels like an injury in my body
2020 feels like a wound that bleeds
The invisible thorns that pricked the bodies were not greenish
Hanging on the deadly branches
They were rather like a Jinn
or a polluted gene
That stealth into bodies
Sickened them,
Quarantined them
and then, no words but death...

I did not find the ship anywhere which came to the ancient mariner
I did not find the mariner who sucked his blood and cried, "A sail, a sail"
What I saw was that the dance of life turned into the dance of death
till the snakes, greenish and yellowish, float over the water
His parched heart filled with love and care

I don't know what was good: life or death?
I don't know what I craved: life or death?
I only knew that
When death comes to suck the life, still, keep loving
Keep caring for the creatures of the world.

The creatures that hurt us all throughout our lives
The world which tests us at all turns of our lives...

Umme Salma, Toowong,

Op-eds

নারীবাদ এবং মুসলিম নারীঃ বাংলাদেশ পারেস্পেকটিভ থেকে একটি ভাবনা

নারীবাদ বা ফেমিনিসম একটি নারী অধিকারমুলক আলোচনা এবং আন্দোলন। যদিও নারীর অধিকার বিষয়গুলো অনেক পুরনো এবং দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পৃক্ত, নারীবাদ (Feminism) শব্দটি মানুষের ভোকাবুলারিতে আসে ১৮৩৭ সালে ফ্রান্সে, যখন ফেমিনিসম মানে হলো, women’s liberation in a utopian future. এরপর নারীদের ভোটের অধিকার নিয়ে এর প্রকাশ শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে তিনটি স্রোত (wave) নিয়ে নারীবাদ এখনকার ইন্টেরসেক্সানাল (intersectional) স্তরে এসেছে, যার মুল কথা হলো, প্রবল প্রতাপশালী গোষ্ঠীপতিশাসিত (patriarchal) সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম, রাজনীতি এবং রাষ্ট্র বাবস্থার জন্য race, class, ethnicity, religion and sexual orientation ভেদে নারী নানাবিদ অন্যায়, অবিচার এবং অসমতার শিকার হয়। নারীবাদ এটাকে চিহ্নিত করে, এর বিরুদ্ধে কথা বলে এবং একে শেষ করার জন্য সবধরনের উপায় অবলম্বন করে।

এই উপায়গুলো একটি বিশাল এবং জটিল বিষয়। জীবনের এমন কোন ধারা নেই যাকে সে স্পর্শ করেনা। পৃথিবী সম্পর্কে ধারনা হতে স্রষ্টার অস্তিত্ব এবং অবস্থান হতে নারী পুরুষের সম্পর্ক হতে সন্তানধারন, হতে সমাজ নির্মাণের পলিসি, ক্ষমতা, এজেন্সি কোন কিছুই এর পেরমিটার হতে বাদ যায়না । যেহেতু নারী মানবসমাজের বেসিক দুই জাতির একজন, তার প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির আলোচনা এরকম সর্বব্যাপী (all-pervasive), হবে সেটাই স্বাভাবিক এবং সেটা জটিল এবং বিতর্কের (complex and controversial) হবে সেটাও স্বাভাবিক ।

কিন্তু মুসলিম বাংলাদেশে নারীবাদ/feminism শব্দটা ঘিরে একটি সাধারণ ভীতি, জড়তা এবং আতঙ্ক আছে। যদিও ইরানের মত এইশব্দ উচ্চারণে মানা নেই, একে নিয়ে বাম, ডান এবং অন্যান্যদের যে প্রান্তিক অবস্থান, সেটা রীতিমতো দুঃখজনক। একদিকে বামচিন্তার মানুষরা পশ্চিম সভ্যতা হতে আগত এই ধারনাকে unquestioningly, politically and selectively গ্রহন করেছে। তাদের কাছে গেলে আপনি দেখবেন তারা মোটের উপর বাঙালি সংস্কৃতি, সমাজ, সংস্কার এবং ইসলাম বিরোধী। তারা কাঠামো (structure) ভাঙতে চায়, আরেকটি অনিরাপদ সমাজ কায়েম করতে যেখানে দ্বন্দ্ব,সংঘাত, ভাঙ্গন হয়ে উঠবে নিত্য দিনের ব্যাপার। ঠিক এই কারনেই আমি বেগম রোকেয়ার সুলতানার স্বপ্ন পড়ে মজা পেলেও তাকে পছন্দ করতে পারিনা। পুরুষের দৌরাত্ম্য আমাকে যেভাবে বিষন্ন করে, এমনি নারীর দৌরাত্ম্যও।যেহেতু পরিবার আমাদের সমাজের বেসিক, সেটাকে নড়বড়ে (destabilise) করান ধারণা এবং তার বাস্তব নমুনার কারনে এই ঘরানার নারীবাদ সেখানে মুষ্টিমেয়ের হাতে এবং অজনপ্রিয়।

অন্যদিকে ডান ঘরানার বেশিরভাগ মানুষরা নারীবাদকে অনেক টা বাতিল (got rejected) কনসেপ্ট মনে করে। তারা বলে ইসলাম নারীকে যে অধিকার দিয়েছে এরপর আর কিছু লাগবেনা । কেউ কেউ আবার নারীবাদ শব্দের একটা বিকল্প (substitute) শব্দ খোঁজেন যাতে পশ্চিমকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে উপমহাদেশ, মুসলিম বেল্ট এবং বাংলাদেশি ঘরানার নারী অধিকার নিয়ে আলোচনা করা যায়। তারা নানা মুসলিম দেশের উদাহরন টানেন, সেসব দেশের context (টাইম এন্ড প্লেস) and condition কে গৌণ রেখে।

যেমন একজন ইসলামী নেতাকে একবার বলতে শুনলাম, তিনি সৌদি আরব ভ্রমন করেছেন। প্রচন্ড গরম। সবায় কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা। উনি অবাক হয়ে বললেন, তাদের গরম লাগেনা? এবং অবাক হলেন শুনে যে, না, তাদের গরম লাগেনা, কারন এই কাপড় মরভুমির তাপ হতে তাদের রক্ষা করে। এ থেকে উনার বয়ান হল, বাংলাদেশের নারীরা যে বলে, বুরখা পরলে গরম লাগে, এটা ভুল কথা। গরম লাগার চেয়ে আরাম লাগার কথা। এটা নাকি আল্লাহর বিধান না মানার অজুহাত। এই কথা যে কতটুকু ভুল, সেটা যদি দুই দেশের আবহাওয়া এবং জলবায়ু দেখি তবে বুঝতে পারিঃ আদ্রতাবিহীন দেশ আর আদ্রতাওয়ালা দেশে পোশাকের ধারনা কত পার্থক্য । অথচ এই কন্টেক্স ট উনারা ভাববেননা। পরিস্থিতি দেখবেন না।

এইসব কারণে নারী এবং নারীর কল্যাণ বিষয় টা নিয়ে আমরা বেশীর ভাগ মানুষ বসবাস করি একটি গোধূলিতে–চিন্তার আলো আধারিতে। প্রতিদিনের জীবন যাপনে সত্যিকার মুক্তি নারীর এবং বৃহৎ সমাজের কোথায় আছে সেই পথ পাওয়া খুব মুশকিল। অধিকার নিয়ে বেচে থাকাটা অনেকটা বাজির মত। ভাগ্যে থাকলে পাবে, না হলে অধিকার না পাওয়াকে justify কর কিংবা বেচে মরে থাক।

কিন্তু জীবন কোন বাজি নয়। জীবন যাপনের। জীবন সুন্দরের জন্য, সুখের জন্য। এজন্যই মানুষ অধিকার নিয়ে ভাবে, কি পেলাম বা পেলাম না তার হিসেব করে। এই হিসেবের পথ ধরে নানা ism এর জন্ম হয়। নারীবাদ তেমনি এক ism, nationalism, multiculturalism, bilingualism, historicism এমন অনেক ism মত। এই ism এর জন্ম এবং বেড়ে উঠা নিয়ে তাই আমার কোনো বিরোধিতা নেই। মানুষ/ চিন্তকরা যখনি কোনো সমস্যায় পড়ে, তারা তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করে এবং তার সমাধানের পথ খোঁজে। আর এভাবেই নানা idea, concept এর জন্ম হয়। নারীবাদ সেই রকম একটি আইডিয়া যা মানবজাতির মুল দুই জাতির একজনের সুখ, সুবিধার কথা ভাবতে বলতে ওয়েস্টার্ন সমাজে জন্ম নিয়েছে। বিজ্ঞান, সাম্রাজ্য আর ক্ষমতার উচ্চ শিখরে উঠার সময় যখন সে সমাজ যখন নারীর টুটি চেপে ধরেছিল, যখন ক্রিস্টিনিয়াটি ও নারী কে মুক্তি দিতে পারলো না, নারীবাদ/ফেমিনিসমের জন্ম ছিল একটি জৈব প্রক্রিয়া (organic phenomeon). No ventilation caused a far-reaching explosion, (বাংলাদেশী একজন চিন্তক যেমন বলেন)।

এই মজলুম অবস্থার সাপোর্টের হিসেবে কেউ যদি আমাকে নারীবাদী বলে, আমি ভালো ফীল করি। I don’t hold any grudge against them. কিন্তু কেউ যদি নারীবাদী বলে আমাকে বা আমার মত কাউকে স্টেরিওটাইপ (stereotype) করে আমি তাকে প্রতিহত করি। কিভাবে স্টেরিওটাইপ (stereotype) করা হয় মুসলিম নারীদের? এটা করা হয় দুই ভাবে। এক। নারীবাদী মানে এমন এক চিত্র উপস্থাপন করে যেখানে নারী হল উগ্র এবং উচ্ছৃঙ্খল। তারা ঘরভাঙ্গা, সেক্সটুয়ালী আনব্রিডেল্ড, সেচ্ছাচারী এবং অনিয়ন্ত্রিত। এখানে তাসলিমা নাসরিন কে মডেল হিসেবে দাড় করানো হয়। কেন? আমার প্রশ্ন হলো, তিনি কি অন্ধ গলি আমাদের জন্য? আমাদের অধিকারের লড়ায়ে শেষ কথা? একটি ফুল স্টপ ? দুই, হিজাব পরে বা না-পরে যদি একজন মুসলিম নারী এসে অন্যায়ের বিপক্ষে মাথা তুলে দাঁড়ায়, সবাই হায় হায় করে। তারা ধরে নেয়, সে নারী বিপথে চলে গেছেঃ westernised, anglophile এবং sold out মুসলিম নারী। সে এখন মুসলিম সমাজের জন্য একটা lost project (এখানে এবং ওখানে !!!)

এই স্টেরিওটায়পিং (stereotyping ) এর মুল সমস্যা হল যারা এটা ভাবে তারা জানেনা যে, a Muslim woman is three step away from the original feminism. এই তিনটি স্টেপ হলো—race and colour, language and culture, and eastern and national background. এই মার্কগুলো ধরে এগুলে, Eastern এবং western নারীদের আলাপের (conversation) এর জায়গাটা হলো তাদের সামাজিক অবস্থান, তাদের অধিকারে ধরন এবং কে কত স্বাধীন বা পরাধীন, বা অধিকারপ্রাপ্ত বা অধিকার বঞ্চিত। সত্যিকারের পশ্চিমা ফেমিনিস্ট মুসলিম নারীদের কাছে তাদের কথা শুনতে চায়, নো ব্লাইন্ড ফলোইং অফ দেম। ফলে মুসলিম নারীবাদীদের নিজেদের স্পেস থেকে সবসময় কথা বলতে হয়। তাদেরকে তাদের সংস্কৃতিকে বুজতে হয় দেখতে হয় এবং অন্যায়, নিষ্পেষণ আর সাংস্কৃতিক পার্থক্য নিয়ে কথা বলতে হয়। সাবা মাহমুদ, লাইলা আবু-লুঘদ এটা বুজেছেন। তারা এমনি কিছু ভয়েস যারা দেখিয়েছেন কিভাবে মুসলিম নারী তার ধর্ম এবং ফ্যামিলি আর সামাজিক নরমের মাঝে এম্পওারড হয়ে উঠে। কিভাবে তারা রিওরডার করে তাদের জীবন এবং কাজ, ইন্টেরভেনিং তাদের সমাজ, সময় এবং নরমস। আর এভাবে তারা গেকোরোমান হতে পশ্চিম পর্যন্ত অনেক আইডিয়া কে চালেঞ্জ করেছেন।

কিন্তু আমি অবাক হয়েছি তাদের আলোচনায় ঠিক কোন জায়গা থেকে মুসলিম নারীরা কাজ শুরু করবে সে নিয়ে খুব কম কথা আছে। তার faith বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবেননি। তারা কি ধরেই নিয়েছিলেন যে মুসলিম নারী মানেই বিশ্বাসী ? যেহেতু মুসলিম বাংলাদেশ এই অবস্থা অন্য মুসলিম দেশের চেয়ে আলাদা, এখানে বিশ্বাস বিষয়টি এখনো ইনহেরিটেড, নারী এবং বিশ্বাস বিষয়টি সম্প্রতি আমাকে আকৃষ্ট করেছে নতুন করে ভাবতে ইসলাম এবং নারী অধিকার নিয়ে।

….

কিছু দিন আগে The Guardian পত্রিকার “Religion” পেইজ ই একটি ইন্টারভিউ ছাপা হয়, শিরোনাম হলো “Why is God a man? The woman who searched the world for a feminist religion।” সিয়ান কিয়ান Louise Omer এর ইন্টারভিউটি নেন। শিরনামটি আমাকে আকৃষ্ট করল এবং পড়ার পর, যে সারকথা আমি পেলাম তা হল, পৃথিবীর সব ধর্মের প্রভু হলেন পুরুষ, এই অবস্থায় নারী কিভাবে ধর্মে তার‍ অবস্থান আর অধিকার খুঁজে পাবে। লুইস অমের তার Holy Woman নামক মেময়া তে কয়েকটি প্রশ্ন করেছেনঃ

Why was my beloved God male?

Why were Bible stories mostly about men?

Why was Eve responsible for the Fall of Man?

Why were there abusers in the church?

And how could I reconcile all of this with my feminism?

এবং এই প্রশ্নগুলো নিয়ে সে বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছে এবং বুজেছেঃ “there is nothing feminist about patriarchal religions, only feminist believers trying to subvert them from within.” অতএব, সে এখন হিন্দু ধর্ম এবং পাগানইসম পড়বে, নিজেকে নতুনভাবে জানতে এবং নতুন করে পারসোনাল পাওয়ার জানতে।

লুইস অমের এর যে জিনিসটি আমার কাছে প্রশ্নবোধক তা হল, ইসলাম ধর্মের প্রভুর ধারনাকে সে God=men এই ছকে ফেলেছে। সে এক জায়গায় লিখেছেঃ “some Muslims would never accept a female imam, and some Christians would be appalled by the concept of a female God. (As Omer writes, Vatican City, the heart of Catholicism, is the only place in the world where women still can’t vote.) What does reinterpreting scripture matter when a religion remains patriarchal in practice?” মুসলিম দেশে নারী ইমাম না থাকাটা তার কাছে প্রভু পুরুষ এবং মনওথেইস্ট ধর্ম পিতৃতান্ত্রিক/গোষ্ঠীপতিশাসিত (patriarchal), এই ধারনার সহায়ক এবং উপসংহার।

অথচ এই ধারনাটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। At least in the case of Islam. ইসলাম ইভকে মানুষের বেহেস্ত হতে বিতাড়নের কারন হিশেবে দেখেনা। এবং, এটী আল্লাহর যে ধারনা দেয়, সেখানে জেন্ডার পুরোপুরী অনুপস্থিত। বেশী দূর যাবনা, সুরা ইখলাস মানুষের প্রভু কে সহজ করে বলে দিয়েছে, যাকে জাকির নায়েক বলেন, A litmus test to know who is God/Allahঃ “(হে রাসুল! আপনি) বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই।” আয়াতুল কুরসী এবং সুরা হাশর আল্লাহর যে গুনাবলী বলে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ভাশাগত সমস্যা/ limitation বাদ দিলে, যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল, নারী বা পুরষ হলে তাকে অবশ্যই জন্মদেয়ার বা জন্মনেয়ার একটি body থাকতে হবে। তাকে ঘুমুতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে। আল্লাহ এইসব থেকে সম্পুরন বিপরীত এক ধারনাঃ নিরাকার এবং অদৃশ্য । মুসলিমরা এই বেসিক বিশ্বাস ধারণ করে এবং এরকম একজনের ইবাদাত করে। ধর্মের নামে অন্যকে তার প্রভু হতে দেয় না।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বেশীরভাগ মুসলিম নারী তার বিশ্বাস কিভাবে তাকে এম্পাওয়ার করে জানে না। বিশেষ করে যেখানে ইসলাম হল একটি বাপদাদাদের ধর্ম, একটি জন্মগত উত্তারধিকার। এসব নারীদের ধর্মের নাম দিয়ে দিয়ে বারবার বলা হয় এটা করো, ওটা করোনা । অনুকুল পরিবেশে নারীরা এভাবে বেড়ে উঠে, মেনেও নেয়, এবং সুখী মনে করে নিজেদের। কিন্তু সমস্যা হয় যখন ধর্মের নামে এটা করো, ওটা করোনা বলে নারীদেরকে একটি অত্যাচারিত অবস্থার মাঝে ফেলে দেয়া হয়। তাদের বলা হয়, তুমি না নামাজ পড়, আল্লাহকে বিশ্বাস কর? তাইলে তুমি কেমনে ঘরের কাজ করতে চাওনা? চাকরি করতে চাও? ঘর থেকে বের হতে চাও? স্বামীর আদেশ অমান্য কর? স্বামী চাহিবা মাত্র রাজী হওনা? স্বামীর রাগ আর শাসন কে মানতে পারোনা? এসব অবস্থায় সহ্য না করে ডিভোর্স চাও? বাচ্চার মা হতে পারোনা? ছেলের মা হওয়াকে দায়িত্ব মনে করোনা? সম্পত্তির অধিকার চাও? বাকি মোহরানা চাও? ইত্যাদি ইত্যাদি ।

এই ধরনের ভ্রান্ত যুক্তি মেয়েদের সামনে দুটো ওপ্সান রাখে, হয় ধর্মকে একপাশে ফেলে নিজের মত এগুনো। বিদ্রোহী উঠে ওঠা । নাহয়, ভুলে যাওয়া সে একজন মানুষ, রক্ত মাংস, বোধ, অনুভূতি ওয়ালা একটি শরীর । বিশেষকরে নারীরা এই শেষ অবস্থায় হয়ে উঠে, brainless beauty, spineless actor and morose homemaker. মাঝে মাঝে আমি বাংলাদেশী কিছু নারীদের দিকে স্রেফ তাকিয়ে থাকি। কেনো জানেন, তারা খুব কথা বলে, ঘরের কাজ করে আরে জামাইয়ের সাথে খেছ খেছ করে। সবাই তাকে ভালোবাসে, সমিহ করে (ইঙ্কলুডিং স্বামীরা) এবং তার কাজে মজাও পায়। কিন্তু এদের কাছে আপনি যদি জিজ্ঞেস করেন তার যৌন জীবন সম্পর্কে, তারা দেখবেন নিজেদের স্বামীর হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছু হিসেবে নিজেকে প্রমান করতে পারবেনা। তারা এমনভাবে নিজেদের উপস্থাপন করবে, সেক্স চাইলে, নিজের অসুবিধার কথা বললে, নিজ থেকে আবেগ দেখালে, বা বেশী অ্যাক্টিভ থাকলে, সেটা একটি মেয়ের অনৈতিকতার প্রমাণ । শুধু বাজারের মেয়েরা ই এমন করে। অথবা স্বামী ভাববে, সে খারাপ মেয়ে, এত জানে কিভাবে?

নিজের প্রভুকে যে চেনেনা, তার আর নিজেকে চেনার অবকাশ নেই। সে হয়ে উঠবে স্বামী, শ্বশুর কিংবা অন্যকোন শক্তির পদানত। সে ভুলে যাবে সে একজন ইন্ডিভিডুয়াল, একজন স্বাধীন চিন্তার মানুষ। একটি সম্পর্কের সমান অংশীদার। সে অনেক কথা বলবে, কিন্তু তার যে কথা বলা প্রয়োজন সেটা সে কখনো বলতে পারবেনা। প্রশ্ন হল, একজন মুসলিম নারী এমন এক উত্তাল পরিবার, সমাজ আর রাষ্ট্র বাবস্থায় যেখানে তাকে প্রতিমুহূর্তে তার বিশ্বাস দিয়ে বন্দী করা হয়,কিভাবে নিজের পরিচয় আর অধিকার নিয়ে বাঁচবে। সে কিভাবে বাংলাদেশি নারীবাদ নামক এক অকল্যাণকর প্রোপাগান্ডায় নারীর অধিকার আর অবস্থান এর মাঝে reconciliation করবে?

আমি মনে করি, ইসলামের এক প্রভুর ধারনা তার জন্য হতে পারে একটি intellectual শক্তি। এটা তার চলার পথের প্রথম পয়েন্ট । এই ধারনা দিয়ে patriarchy এবং তার বানানো শত খারাপ নিয়মেকে চালেঞ্জ করতে পারে। সে বলতে পারে, I am within a faith that never made you (men and women who patronise patriarchy ) someone to hush my voice in the name of a divine decree. বিশ্বাস গ্রহন দিয়ে হতে পারে তার যাত্রার শুরু–একটি দীর্ঘ মুক্তির পথে। এবং এই faith paradigm দিয়ে মুসলিম শিক্ষিত নারীরা ওয়েস্টার্ন ফেমিনিসম এর সাথে dialogue, conversation এবং cultural exchange শুরু করতে পারে। তারা জিজ্ঞাসা করতে পারে তিনটি প্রশ্নঃ

১। এত ক্রিটিসিজম এর পরো কেন একদল পশ্চিমা নারী ক্রিশ্চিয়ানিটি কে অনুসরণ করে?

২। কোন বিকল্পের কারনে বেশীরভাগ পশ্চিমা নারী ধর্ম বিরোধী?

৩। সেকুলার ফেমিনিসম কি সত্যি সেকুলার , এই অর্থে যে সেকুলারিসম ধর্মকে মুছে দেয়।

দুখজনক হলেও সত্যি, বেশীরভাগ মুসলিম মেয়েরা/ একাদেমিক/ গবেষক ওয়েস্ট এর সাথে কথা শুরু করে নিজেদের ফেইথ না জেনে, বা এই অবস্থান থেকে সরে/নড়ে গিয়ে। অনেকে ভাবে, privatisation of faith বা secularism দিয়ে সে তার অবস্থান/space পাবে। This is a crisis. এই সংকট তাঁদের জলে ভাসা পদ্ম ই করে রাখবে। কারন, প্রত্যেক সংস্কৃতিতে কিছু দাগ আছে (আমি border বলছিনা), সেই দাগ নিয়েই সবাই চলে। সে দাগ স্বীকার করেই cultural dialogue শুরু করতে হয়। Race and ethnicity studies বলে, মানুষের জন্ম একটি বিশেষ সমাজে হয়, তা নির্ধারণ করে তার ভাষা, আচরণ, এবং আরো অনেক কিছু। সেসব কে নিয়েই তাকে আরেক মানুষ, আরেক পরিবার, আরেক পরিবেশ, ,আরেক সংস্কৃতির সাথে সহাবস্থান করতে হয়। এই unchanging always comes during making change. এখন একজন মুসলিম নারী যদি সচেতনভাবে তার বিশ্বাস ধারন করে ভালোর দিকে, কল্যাণের দিকে প্রবর্তন এর জন্য কাজ করে, ঘর থেকে বাহির সবখানে তার যে সংগ্রাম সেই সংগ্রামের কাজ হবে আলোময় এবং শক্তিময়। এখানে আমি নারীর এইজেঞ্চির (agency) বিকাশের উৎস দেখি। চলুন একবার আমরা চেনা পৃথিবীকে নতুন করে চিনি।

Poems

দুঃখ থেকে অসন্তুষ্টি!

আমার দুঃখগুলো যদি এক সিলান্ডার বায়বীয় পদার্থ হতো 
রিদয়ের দরজা জানালা গুলো খুলে সিলিন্ডারের মুখটা সরিয়ে দিতাম
বাতাসের সাথে মিশে একটু একটু করে
ওরা অবলীলায় হারিয়ে যেত।

আমার দুঃখগুলো যদি হত ডিমের খোসার মতো ঠুনকো এবং উপকারী 
প্রতিদিন তাদের ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে তোমার টবের মাটিতে মিশিয়ে দিতাম
সার হয়ে তারা মেক্সিকান মরিচ গাছগুলোকে তরতাজা করে রাখতো। 

অথচ ওরা হয়ে উঠলো কনক্রিট পাথর
বিন্দু হতে জমতে জমতে একটি দ্বীপ থেকে একটি মহাদেশ হয়ে উঠার মত ক্ষমতাবান। 
না আমি না তুমি কেউই তাকে নাড়াতে সরাতে ভাঙতে ডুবাতে পারেনা। 
ওরা জীবনের টগবগে সময়গুলোকে মৃত উটের মতো কবরে নামিয়ে ফেলে। 
ভালো থাকার সহজ সূত্র এই একটা ঘর একটা মানুষ কয়েকটি কচিকাঁচা 
এক মুঠো অন্ন কে তারা তুচ্ছ করে 
যা নেই তার জন্য হাপিত্যেশ করে। 

আধুনিক দুঃখগুলো এরকম। 
গন্তব্যের চেয়ে স্টেশন এদের প্রিয়। 
এরা ভাবে পরের স্টেশনে পৌছুলেই হলো
কিন্তু পরের স্টেশনে গিয়ে তার পরের স্টেশনের জন্য 
প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকে
আর ঘামতে থাকে দীর্ঘশ্বাসের জ্বরে।

হে ব্যক্তিক সত্তা হে অশান্ত প্রাণময়
তুমি এ দুঃখের হাত হতে রক্ষা চাও
হে প্রেমের সম্পর্ক হে দুস্হ দুঃস্বপ্ন
তুমি খোঁজ কর একটি সময়ের 
যখন ভালোবাসার একটি আয়াত
অনুরণিত করবে বিদগ্ধ নফস:
আর মুক্ত করবে অসন্তুষ্টি থেকে।

সিজদায় মোনাজাতে, Poems

তাঁর জন্য অনুরণন

Continue reading “তাঁর জন্য অনুরণন” →
Poems

দি গ্যাপ

চোখের ভেতর দুঃখের জমি
শরীর ছলছল
শতেক নদী বদ্বীপ চুষে
নামছে অনর্গল।

তুমি চেয়ে চেয়ে আছো
বলেই কেবল যাচ্ছো
আমাদের কথা
দুখের জমি কেন নেবে না
এসব প্রাসঙ্গিকতা।

হাতের মাঝে ব্যাথার ছাপ
কাঁধ যে টলমল
হাজার বোঝা শক্তি খেয়ে
বাঁচছে অবিরল।

তুমি বলে বলে যাচ্ছো
যতটুকু পারছো
জীবনের কথা
যার বোঝা সে-ই নেবে
এমন বাস্তবতা।

১৮/১০/২০২২

Op-eds

I write to remember, to be remembered

Umme Salma, 9/11/2022

Sometimes I feel very sad when I see that I don’t know my great grandfather, his father, and his father. There is no record of their life and livelihoods and no photos, no sketches from which I can know them, reveal them. I only know from my father and my uncles that they have been travellers in the Indian Subcontinent, but eventually returned home and settled down, buying properties and establishing business, in a remote corner of Noakhali, Bangladesh. Sometimes I learn that during that time, today’s developing village with postcolonial modern facilities was a lush location on the bank of Bay of Bengal: the sea that has moved far far away, was at the door and danced with its ferocity and beauty at the lap of my forefathers.

These snippets create in me a longing: longing to know more, more and more. But no way….I can’t break this no way. I feel sad and write. I starve to write, I run to write, I fly to write. I jump to write. I cry to write. I hide to write. I pray to write. I appeal to write. I look forward to the next two hundred years, I see myself nowhere. A lamp flashed once only to extinguish forever: a feeling so harrowingly destroys my heart and pushes me to write and to publish, a thing of which I am lazy.

So, why I write then? To remember my past, my ancestors, and be remembered as an ancestor. It is not that I am a hero in life, someone extraordinary and rare. No, not that. I am a simple woman with a life with ups and downs, pains and pleasure, success and failure. I want my next generations to know this me. If anyone ever longs to looks back, they need at least to have something to grasp how his/her predecessors lived their life on the Earth. Who they are, who she is. This knowing will bring them to me and bridge the gap of time, space, and civilisation.

Will my writing survive? My amma says, after 1971, she asked my grandfather anxiously, “Abbaji, where is my Baluchor? [a book of poems by the Poet Jasimuddin]. He answered, “darling, no chor survives when wars break out.” Huh, what a pun!

However, sometimes, I go opposite of this sense of loss and urge for remembrance. Unintentionally. I look at myself and ask, are we to abolish forever? An answer profound slides through my soul and plays hide and seek. The beloved Allah knows well that we will long for the past and for the reunion. Allah knows well that we will cry for the unknown, cry for the people whose signs of love we bear. That’s why, Allah has extended our existence from the temporary earth to the eternal afterlife so that we all can be reunited again in the great confluence of life in the Paradise.

Does this eternal consolation stop my desire to write? to create? Not at all. It accelerates my pace. Writing is responsibility, derived from an incurable disease of writing back to the oppressors and the unjust. I carry this disease, so writing comes to me as a “spontaneous overflow of powerful feelings” as William Wordsworth says. Whenever a powerful feeling/emotion/event catches my perception, I feel an irresistible urge to write. Writing brings relief. It heals the tired, crying, and rebellious soul. Words are mightier than missiles. Words Wane Stasis and Create Change. So, I write! I pray to write! The moment I will not be able to write, I will die at that moment, metaphorically!

“O Allah, I ask You for beneficial knowledge, goodly provision, and acceptable deeds.”

Toowong, Brisbane.

Poems

একটি রাগান্বিত মেসেজ

৩১/১০/২০২২

গতকাল সারাদিন ঝরঝর করে বৃষ্টি পড়লো
রাস্তাগুলো দারুণ ভাবে ভিজে গেল
জাকারান্ডার বেগুনি রশ্মি আকাশ আর মাটিতে মাখামাখি হয়ে গেল। 
তুমি দরজা বন্ধ করে বসে ছিলে
মোবাইলে ইমেইল চেক করলে
ফেসবুকে কয়েক পাক ঘুরলে
একবার উঠে কি কাপড় গুছিয়ে ছিলে? 
কি জানি হাঁটার শব্দ পেলাম মনে হলো
ক্লান্তিকর পদক্ষেপ
একটু কি কেঁদেছিলেও
একবার বেসিনের আওয়াজ পেলাম মনে হয়:
একটা ঝর্ণার জল বৃষ্টির শব্দে মিশে যাচ্ছে।

এইসব সুন্দর দিনে তাকে পেলেনা বলে
হৃদয়ে তোমার জমা হয়ে গেল যে শতাব্দীর উষ্ণতা
সে কখনো বাস্প হয়ে মেঘ হবেনা
এরকম হাজারটা বৃষ্টি হয়ে নেমেও আসবেনা:
ছোট্ট একটা এসএমএস সেই রাগ 
আমার কাছে পৌঁছে দিল। 

উম্মে সালমা
৩১/১০/২০২২